আপনি কী ইংরেজিতে লেখা যে কোনো বই/পত্রিকা/ওয়েবসাইট মাত্র একবার পড়েই বাংলা পড়ার মতো বুঝতে চান?

কোনো ইংরেজি টেক্সট পড়ে বাংলার মতো বুঝতে হলে প্রথমেই আপনাকে সেই টেক্সট এর ৯৫% শব্দের অর্থ জানতে হবে।  আর এই ৯৫ ভাগের ৮০ ভাগই  শেখা  হয়ে যায় যদি আপনি লংম্যান টিমের বাছাই করা ২৩০০ শব্দ শিখে ফেলেন। আমরা এই ২৩০০ শব্দকে নিচে বারটি মাসের নাম দিয়ে ভাগ করেছি, যেখান থেকে আপনাকে প্রতিদিন ৬/৭ করে আয়ত্ব করলেই চলবে।

 

 

 ভোকাবুলারি বা শব্দ ভান্ডার উন্নত করার প্রথম ধাপে উপরের ২৩০০ শব্দ শিখলে, কোনো ইংরেজি লেখার  ৮০ ভাগ বুঝতে পারবেন, বাকি ১৫ ভাগের জন্য শিখতে হবে আরোও ৭০০টি  শব্দার্থ (যার মধ্যে  ৫৭০টি একাডেমিক ও ১৩০টি পারিভাষিক)। 

আর শব্দার্থ শেখার পাশাপাশি মাত্র ১০০টি Sentence Structures সাথে  Conjugation শিখলেই (প্রতিটি এক লাইনের), ইনশাআল্লাহ এক বছরের মধ্যে আপনি যে কোনো ইংরেজি টেক্সট এক বার পড়েই বাংলা পড়ার মতো বুঝতে পারবেন ।

 

আপনি কী শিক্ষা ও জ্ঞানের রাজ্যের একমাত্র পাসপোর্টটি এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই করে নিতে চান?

ইংরেজি শব্দ-ভান্ডারই আপনার শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের যাত্রায় একমাত্র পাসপোর্ট; কারণ শব্দভান্ডার দ্বারাই নির্ধারিত হবে, আপনি কোন কিছু পড়ে বা শুনে কতটুকু বুঝতে পারবেন। যার শব্দ ভান্ডার যত বেশি  সে  ততো বেশি  ইংরেজি পড়ে বা শুনে বুঝতে পারে।

তাই আপনি  যদি আমাদের দুটো  ধাপের সর্বমোট ৩০০০ শব্দ (২৩০০+৭০০) শিখে ফেলেন, তখন আপনি ইংরেজিতে লেখা সব বই পুস্তকে/ওয়েবে আপনার প্রবেশ নিশ্চিত করতে পারবেন । অর্থাৎ জ্ঞানের রাজ্যে প্রবেশ করতে পারবেন ।

গবেষণায় দেখা গেছে যে, একাডেমিক এবং পেশাগত ক্ষেত্রে সাফল্য লাভের জন্য একটি সুগঠিত শব্দভান্ডার একক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। তাই ওয়ার্ড স্টক বাড়ানো এবং সঠিক শব্দ কার্যকরভাবে ব্যবহার করার কৌশল জানা আবশ্যক।

 

 

কেন আপনাকে এক বছর কষ্ট করে ইংরেজি টেক্সট অনুধাবন করা শিখতে হচ্ছে?

প্রাক-ইন্টারনেট যুগেও জ্ঞান বিজ্ঞানের বই বেশির ভাগেই লেখা হয়েছে ইংরেজিতে। আর ইন্টারনেটে তো ৫২% ওয়েবসাইট কনটেন্ট ইংরেজিতে। বাংলায় ওয়েব কনটেন্ট এর পরিমান হলো আনুমানিক ০.০০১%. যদিও পার্সেন্টেজটা অবাক হবার মতো কিন্তু এটাই চরম বাস্তবতা।

তাই আপনি যদি এই বিপুল পরিমান ইংরেজিতে লেখা তথ্য ভান্ডার থেকে ভাগ নিতে চান, তবে উপায় একটাই, আর তা হলো ইংরাজীতে লেখা টেক্সট পড়ে বুঝতে পারার ক্ষমতা বা যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

আমরা মনে করি অভিবাবকরা যদি এই সহজ কিন্তু গুরুত্বপুর্ন হিসাবটি ক্লাস সিক্স এর একজন শিক্ষার্থীকেও বুঝাতে পারেন, সে শিক্ষার্থী তখন নিজের আগ্রহে কাজ করা শুরু করবে অর্থাৎ শব্দ শেখা শুরু করবে। এবং এর ফলে  ক্লাস টেস্ট থেকে শুরু করে সকল পরীক্ষায় তার জন্য ভালো করা সহজ হবে। একবিংশ শতাব্দীর এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে তার জন্য টিকে থাকা ও অনেক সহজ হবে।

 

আমি অতো মেধাবী না বা বেশি পড়াশুনা করি নাই। আমিও কী পারবো ?

আপনি যদি অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখা পড়া করে থাকেন তবেই আমাদের চলবে। মুলত ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে হলে আপনাকে অনেক বেশি মেধাবী হতে হবে না। কারণ ভাষা কোনো সাইন্স না এটা নিয়মিত বলার/লেখার/শোনার  অনুশীলন  করার জন্য প্রতিদিন ৩০ মিনিট সময় থাকলেই হলো।

আপনি অনেক দুর্বল মেধাশক্তি সম্পন্ন শিক্ষার্থী হলেও নিয়মিত ৬/৭ টি শব্দ আত্নস্থ করতে পারবেন। আর তাতেই আমাদের চলবে। কারণ আপনি শিক্ষার্থী হিসেবে যতই মেধাবী হোন না কেন, আপনার পক্ষে এক সপ্তাহে বা এক মাসে ৫০০০ থেকে ৬০০০ ইংরেজি শব্দ শেখা সম্ভব নয়। ওয়ার্ড স্টক বাড়ানো একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া ,যার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত অনুশীলন করা শব্দ নিয়ে।

তাই আপনাকে নিয়মিত ৬/৭ টি শব্দ আত্নস্থ করার মতো সময় ও আগ্রহ থাকলেই  চলবে। এখন বলুন এই কাজটি করতে কতটুকু মেধার দরকার?

শুরু করুন আজ থেকেই

আর প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে আমাদের ফেইসবুক পেইজে 

 

 

ই বিষয়ে আরোও পড়ুন :

 

কিভাবে শেখা শুরু করবেন?

 

শব্দ তালিকা