আপনাকে স্বাগতম জানাচ্ছি “ভোকাবুলারি সমৃদ্ধ করবেন কেন ?” এই বিষয়টি সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করার জন্য।

বিদেশে উচ্চশিক্ষা বা চাকুরী, বিসিএস পরীক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা, যেখানেই তাকান না কেন, সব খানে আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের একটা মিল রয়েছে।

বলুনতো মিলটা কোথায়?

হয়তো এতক্ষনে অনুমান করে ফেলেছেন, আর তা হচ্ছে,  আমাদের দেশের শিক্ষার্থীরা আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় ইংরেজিতে দুর্বল।

এছাড়াও আমরা গভীর ভাবে লক্ষ করছি যে, আমাদের দেশের ছাত্র ছাত্রীরা উপরের লেভেলের ক্লাস গুলোতে (অনার্স ও মাস্টার্স লেভেলে) খুব একটা ভালো করতে পারেনা।

বিশেষ করে প্রফেশনাল কোর্স এ ভর্তি হবার পরে তারা ঠিক মতো আর পাস করতে পারে না তার কারণ হয়তোবা আপনারা বলবেন আমাদের দেশের ছাত্র ছাত্রীরা ইংরেজিতে দুর্বল।

 

 

ইংরেজিতে দুর্বলতা মানে ভোকাবুলারিতেই দুর্বলতা, গ্রামারে নয়

কিন্তু আমরা মনে করি , তাদের এই দুর্বলতার আসল কারণ হলো তারা ইংরেজি  ভোকাবুলারি বা শব্দ ভান্ডারের দিক থেকে দুর্বল; অধিকিন্তু তারা কম বেশি ১২ বছর ইংরেজি গ্রামার শিখে এসেছে তাই দুর্বলতাটা এখানে ইংরেজি ভোকাবুলারিতেই।

আর এই দুর্বলতার জন্য, অনার্স ও মাস্টার্স লেভেলে পড়াশুনার সময়, যে পরিমানে বিদেশি লেখকদের লেখা রেফারেন্স বই পড়ার কথা, সে পরিমান পড়তে সক্ষম হয় না বা পড়ার আগ্রহ থাকে না . ফলে কোনো বিষয়ে গভীর ভাবে জানতে পারছে না।  আর এই কম জানার কারণে আমরা জাতি গত ভাবে পিছিয়ে পরে গেছি। যা এ-কে বারে মেনে নেয়া যায় না।

 

বিষয় ভিত্তিক নলেজ অর্জনে ভোকাবুলারির গুরুত্ব

স্টুডেন্ট রা ৩-৫ বছর সময় ব্যায় করে অনার্স ও মাস্টার্স লেভেলে।সাথে ব্যায় করে গার্ডিয়ানদের কয়েক লক্ষ টাকা। অথচ চাকুরী জীবনে আশানুরূপ উপার্জন করতে পারছে না; কারণ অনার্স ও মাস্টার্স লেভেলে পড়া শুনার সময় প্রয়োজনীয় মাত্রায় বিষয় ভিত্তিক নলেজ ও দক্ষতা অর্জিত হয় না, কম পরিমানে পড়াশুনা করে পাস্ করার সুযোগ থাকায়।

প্রচলিত এই প্রবনতা থেকে যারা বেরিয়ে আসতে চায়, তাদেরকে একই সময়ের মধ্যে বিষয় ভিত্তিক নলেজ বাড়াতে হবে প্রচুর পরিমানে বিদেশি লেখকদের লেখা রেফারেন্স বই পড়ে. আর এ জন্য দরকার পর্যাপ্ত ভোকাবুলারি, যা এ যাত্রায় একমাত্র পাসপোর্ট।

আসলে ইংরেজি শব্দ-ভান্ডারই ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও জ্ঞান অর্জনের যাত্রায় একমাত্র পাসপোর্ট; কারণ শব্দভান্ডার দ্বারাই নির্ধারিত হবে, একজন স্টুডেন্ট  কোন কিছু পড়ে বা শুনে কতটুকু বোঝতে পারবে।

 

 

ইন্টারনেট থেকে উপকার পেতে ভোকাবুলারির গুরুত্ব

প্রাক-ইন্টারনেট যুগেও জ্ঞান বিজ্ঞানের বই বেশির ভাগেই লেখা হয়েছে ইংরেজিতে। আর ইন্টারনেটে তো ৫২% ওয়েবসাইট কনটেন্ট ইংরেজিতে। বাংলায় ওয়েব কনটেন্ট এর পরিমান হলো আনুমানিক ০.০০১%. যদিও পার্সেন্টেজটা অবাক হবার মতো কিন্তু এটাই চরম বাস্তবতা।

তাই তুমি যদি এই বিপুল পরিমান ইংরেজিতে লেখা তথ্য ভান্ডার থেকে ভাগ নিতে চাও, তবে উপায় একটাই, আর তা হলো ইংরাজীতে লেখা টেক্সট পড়ে বুঝতে পারার ক্ষমতা বা যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

 

 

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ভোকাবুলারির গুরুত্ব

অধিকিন্তু পত্রিকা থেকে জানা যায় যে, প্রতিবছর বিসিএস পরীক্ষা, বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষায় প্রায় ৮০% ফেল করে শুধুমাত্র ইংরেজিতে।

এই রিপোর্টগুলো আরো বলেছে যে, ভর্তি পরীক্ষার ফেলের মূল কারণ ইংরেজিতে ফেল। আর ইংরেজিতে ফেলের মূল কারণ ভোকাবুলারি দিক থেকে দুর্বলতা। বিজ্ঞজনের মতে, ইংরেজি বা যে কোনো ভাষা শিক্ষার ৮৫ ভাগই শ্রম/সময় দিতে হবে, সে ভাষার শব্দার্থ শেখায়।   কিন্তু আমাদের অভিবাবক তথা শিক্ষার্থীদের মাঝে এই বিষয়টি উপেক্ষিত।

তাই নিজেদের তাগিদ থেকেই ভোকাবুলারি নিয়ে একটা ওয়েবসাইট করতে শুরু করলাম।ভোকাব ডট কম ডট বিডি, যা আপনাদের ইংরেজি ভীতি উড়িয়ে দিবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

 

 

শব্দ শেখার বিভিন্ন কৌশল

একটি শব্দ সন্ধান করে এবং এটা চিরকালের জন্য শিখে ফেলা সত্যিই আনন্দের। এখন থেকে শব্দ শুধু মুখস্থ করা নয় বরং শব্দ হবে চিরকালের জন্য রপ্ত। আমাদের ফ্ল্যাশ কার্ড, এক্সারসাইজ এবং সংজ্ঞা আয়ত্ত করার বিভিন্ন কৌশল আপনার শব্দ শেখার সহায়ক এবং প্রতিটা শব্দের তারতম্য বুঝতে সাহায্য করবে।

চলুন শুরু করা যাক আপনার ভোকাবুলারি এনরিচ করার যাত্রা।  এ যাত্রার  শেষে বা মধ্য পথেই, আপনি অবদান রাখতে পারবেন নিজের জন্য, নিজের পরিবারের জন্য, সর্বোপরি নিজের দেশের জন্য – আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ বিনির্মানে।

আমাদের ওয়েবসাইট ভোকাব ডট কম ডট বিডির সকলের পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ।

উষ্ণ শুভেচ্ছায়,

ভোকাব ডট কম ডট বিডি  পরিবারের পক্ষে

আব্দুল কাদির, MA (English), Dip CII (London)

 

ই বিষয়ে আরোও পড়ুন :

কিভাবে শেখা শুরু করবেন?

 

ইংরেজিতে লেখা যে কোনো বই/পত্রিকা/ওয়েবসাইট মাত্র একবার পড়েই বাংলা পড়ার মতো বুঝতে চাই